শিক্ষার্থীদের উপর হামলার বিচার, ভিসির পদত্যাগ ও চবিতে নারী শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিল

কুয়েটের শিক্ষার্থীদের উপর হামলার বিচার, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মামলা ও বহিষ্কার প্রত্যাহার, ভিসির পদত্যাগ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ভিসি চত্বর হয়ে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা স্লোগান দেন— ‘কুয়েটে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ব্যারাকের সেনাবাহিনী, ব্যারাকে ফিরে যা’, ‘কুমিল্লায় হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘চবিতে বহিষ্কার, প্রত্যাহার করতে হবে’, ‘কুয়েটের মামলা, প্রত্যাহার করতে হবে’—ইত্যাদি। মিছিল শেষে রাজু ভাস্কর্যের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, শিক্ষাঙ্গনে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে দমন-পীড়নের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমল্লার বসু বলেন, “বিরাজনীতিকরণ ও ক্ষমতা লোভের ফলে ছাত্র রাজনীতি আজ মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে।” সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, “চবিতে নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আন্দোলন থেকে তাদের সরিয়ে দিতে ফেসবুকে বুলিং ও প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।”
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি সায়েদুল হক নিশান বলেন, “কুয়েটে হামলার ঘটনায় যারা প্রতিবাদ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে দমন করা হচ্ছে, অথচ হামলাকারীরা রয়ে গেছে বহির্ভূত।” বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, “চবির প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সহিংসতা বাড়িয়েছে, আর যারা সহিংসতার বিরুদ্ধে ছিল, বহিষ্কার করা হয়েছে তাদেরই।”
সমাবেশ থেকে কুয়েটের ভিসির পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিষ্কৃত নারী শিক্ষার্থীদের পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়।
এই খবর প্রথম প্রকাশ হয়েছিল প্রান্তিক নিউজের ফেসবুক পাতায়।





