ক্ষতিপূরণ ছাড়া মহাসড়ক নয়: ঝিনাইদহে ক্ষতিগ্রস্তদের মানববন্ধন

ঝিনাইদহ-যশোর ৪৭ কিলোমিটার ছয় লেন বিশিষ্ট মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমির বর্তমান বাজারমূল্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার পূর্ণ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জমি ও স্থাপনার মালিকরা। সোমবার সকাল ১০টায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত মালিক। বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় তিন বছর ধরে মহাসড়ক নির্মাণের কাজ চললেও এখনও তারা ক্ষতিপূরণ পাননি।
অধিকন্তু, সরকার ৫০ বছর আগের পুরোনো মৌজা মূল্যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এতে তারা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে দাবি করেন। একজন জমি মালিক বলেন, “মহাসড়ক চাই, উন্নয়ন চাই। কিন্তু আমাদের পৈতৃক জমির মূল্য যদি সঠিকভাবে না পাই, তাহলে উন্নয়ন আমাদের জন্য ধ্বংস ডেকে আনবে।”
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা তুলে ধরেন কয়েকটি প্রধান দাবি:বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী জমির ক্ষতিপূরণ প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ বন্ধ রাখা, ফ্লাইওভারের নিচে অপ্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ পরিহার, জেলা পরিষদের ফাঁকা জমি ও পরিত্যক্ত গুদাম ব্যবহার করে বিকল্প পথ নির্মাণ। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই দাবি না মানলে ভবিষ্যতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।”
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নবচিত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আলহাজ শহিদুল ইসলাম, মাহমুদ রায়হান লাল্টু, বিএনপি নেতা তবিবর রহমান মিনি, জালাল উদ্দিন এবং ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলাম তোহিদ প্রমুখ। এসময় বক্তারা সরকারের কাছে আহ্বান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে উন্নয়ন সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে, কারো জন্য অনিয়ম বা নিঃস্বতার কারণ না হয়।
এই খবর প্রথম প্রকাশ হয়েছিল প্রান্তিক নিউজের ফেসবুক পাতায়।





