প্রান্তিক নিউজের পাশে, সত্য খবরের সাথে থাকুন।সত্যের সাথে থাকুন।

সহায়তা করুন

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

সব শ্রমিককে বেতন-বোনাস না দিয়েই কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিক বিক্ষোভ

সব শ্রমিককে বেতন-বোনাস না দিয়েই কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিক বিক্ষোভ

মার্চ মাস শেষ হতেই ঈদ। কিন্তু এখনো ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন বকেয়া অনেক শ্রমিকের। কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তারিখ দিয়ে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি। ১১ মার্চ হঠাৎ কারখানা বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। এর প্রতিবাদে তখন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। পরে ২০ মার্চের মধ্যে বেতন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু,সেই কথাও রাখেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এরই প্রতিবাদে গতকাল শ্রমিকেরা কাজ না করার ঘোষণা দিলে কারখানায় ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ ঘোষণা করে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরই প্রতিবাদে আজ রোববার সকাল সাতটা থেকে গাজীপুরের টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানা শ্রমিকেরা বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে কারখানাসংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের আশ্বস্ত করলে মহাসড়ক থেকে সরে যায় শ্রমিকেরা।

শিল্প পুলিশ ও কারখানার শ্রমিকেরা জানান, টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানা শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। এ নিয়ে শ্রমিকেরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তারিখ দিয়ে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি। ১১ মার্চ হঠাৎ কারখানা বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। এর প্রতিবাদে তখন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। ওই সময় পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকেরা আজ সকালে আবার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন বলেন, এই কারখানার শ্রমিকেরা কয়েক দিন আগে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিলেন। পরে ২০ মার্চের মধ্যে বেতন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় ১ হাজার ৫০০ জন শ্রমিকের মধ্যে ১ হাজার ২৫০ জনের বেতন দেওয়া হয়। গতকাল শ্রমিকেরা কাজ না করার ঘোষণা দিলে কারখানায় ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ ঘোষণা করে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

আজ সকাল সাতটা থেকে শ্রমিকেরা বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে কারখানার সামনে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এই খবর প্রথম প্রকাশ হয়েছিল প্রান্তিক নিউজের ফেসবুক পাতায়।