প্রান্তিক নিউজের পাশে, সত্য খবরের সাথে থাকুন।সত্যের সাথে থাকুন।

সহায়তা করুন

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের কারণে কমপক্ষে ৬ লাখ ২ হাজার শিশু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পোলিওর মতো ভয়াবহ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যেসব টিকা জরুরি, সেগুলো ইসরায়েলি বাহিনী ঢুকতে দিচ্ছে না।

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের কারণে কমপক্ষে ৬ লাখ ২ হাজার শিশু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের কারণে কমপক্ষে ৬ লাখ ২ হাজার শিশু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পোলিওর মতো ভয়াবহ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যেসব টিকা জরুরি, সেগুলো ইসরায়েলি বাহিনী ঢুকতে দিচ্ছে না। এর ফলে হাজার হাজার শিশু স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার মুখে পড়তে পারে। রবিবার (৬ এপ্রিল) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ইসরায়েল পোলিও টিকা ঢুকতে দিচ্ছে না। এটা যেন টাইম বোমার মতো, যেকোনো সময় গাজায় পোলিও ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এটি গাজার শিশুদের প্রতি একটি পরোক্ষ হামলা। সাত মাস ধরে যে টিকাদান কর্মসূচি চলছে, তা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এতে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।” পোলিও একধরনের ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের হাত-পা অবশ করে দিতে পারে এবং স্থায়ীভাবে চলাফেরা করতে অক্ষম করে তোলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) গাজায় পোলিও রোধে একটি টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছিল।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে দুই দফা টিকা প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে ৯৫% শিশুদের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়। কিন্তু ডিসেম্বরে সংগৃহীত পরিবেশগত নমুনায় দেখা গেছে, ভাইরাসটি এখনও ছড়াচ্ছে। এখন টিকা বন্ধ থাকায় নতুনভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে ১৩,০০০ রোগী গাজা ছেড়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে চায়, কিন্তু অবরোধের কারণে তারা যেতে পারছে না। মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ড. মুনীর আল-বুরশ বলেন, “গাজা তার শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে।

ইসলামি দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর উচিত এখনই এগিয়ে আসা। আরও কত শিশু মারা গেলে বিশ্ব আমাদের কথা শুনবে?”

এই খবর প্রথম প্রকাশ হয়েছিল প্রান্তিক নিউজের ফেসবুক পাতায়।