রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১,২৫০ স্থানীয় শিক্ষক ছাঁটাই, চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও পরিচালিত শিক্ষা প্রকল্প থেকে একযোগে ১,২৫০ জন স্থানীয় শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তহবিল-সংকটের অজুহাতে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে শনিবার (৩১ মে) উখিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, অথচ রোহিঙ্গা ও বহিরাগত শিক্ষকরা আগের মতোই বহাল আছেন।
তাঁরা বলেন, দ্রুত চাকরিতে পুনর্বহাল না করা হলে এনজিও-আইএনজিও সংস্থাগুলোর গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে। শিক্ষক প্রতিনিধিদের একজন সাইদুল ইসলাম শামীম বলেন, “গত বছর সেপ্টেম্বরে বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবি তোলায় আমাদের এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মীরাও এই ছাঁটাইকে ‘অন্যায়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, “স্থানীয়দের চাকরি না থাকলে রোহিঙ্গাদের জন্য শিক্ষা প্রকল্প চালানোর প্রয়োজন নেই।” আইনজীবী ও তরুণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার সাফাত ফারদিন চৌধুরী বলেন, “হোস্ট কমিউনিটিকে উপেক্ষা করে কেউ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকব।”
অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল হোছাইন বলেন, “যাদের আমরা আশ্রয় দিয়েছি, তাদের শিক্ষা দিতে গিয়ে যদি আমাদেরই চাকরি না থাকে, তাহলে সেই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে।” সূত্র: দৈনিক শিক্ষাডটকম
এই খবর প্রথম প্রকাশ হয়েছিল প্রান্তিক নিউজের ফেসবুক পাতায়।





