শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে পুলিশের হামলায় শিক্ষার্থী

শাহবাগে শিক্ষকদের আন্দোলনের সময় পুলিশি হামলা দেখে একাত্মতা প্রকাশ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন 'বিক্ষুব্ধ নারী সমাজের সদস্য সীমা ও তানজিয়া। তারা আহত শিক্ষকদের উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের হামলার মুখে পড়েন। এ ঘটনায় সীমাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পর ছাত্রদলের নেত্রী মানসুরা ও মেঘলা দ্রুত থানায় গিয়ে সীমাকে মুক্তি করেন। অপরদিকে, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে যান।
আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা এ সময় একযোগে বলেন, "শিক্ষকদের আন্দোলন ন্যায্য কি না, তা পরবর্তীতে আলোচনা হতে পারে। তবে কোনো আন্দোলনেই পুলিশি দমন-পীড়ন আমরা মেনে নেব না। নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।" এর আগে আজ (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহবাগ মোড়ে আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করেন।
আন্দোলনকারীরা ২০২৩ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ধাপের ৬,৫৩১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে এখনও নিয়োগ না দেয়ার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তারা দাবি করেন, আইনি জটিলতার কারণে তাদের যোগদান বন্ধ হয়ে গেছে এবং দ্রুত চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা করা হোক। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
এই খবর প্রথম প্রকাশ হয়েছিল প্রান্তিক নিউজের ফেসবুক পাতায়।




